গাজীপুরে মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণ।
গাজীপুরের এক শান্ত গ্রামে ছোট্ট একটি মাদ্রাসা। ভোরের আজানের সঙ্গে সঙ্গে সেখানে শুরু হতো দিনের পড়াশোনা। সেই মাদ্রাসারই এক ছাত্রী ছিল আসমা (ছদ্মনাম)। বয়স কম, চোখে ছিল স্বপ্ন—একদিন বড় হয়ে মানুষকে আলোর পথ দেখাবে।
কিন্তু এক অন্ধকার বিকেল তার জীবনকে বদলে দেয়।
মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে পরিচিত এক মুখ তাকে সাহায্যের কথা বলে ডাকে। বিশ্বাসই ছিল আসমার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। সে জানত না, বিশ্বাস ভাঙার শব্দ এত নীরব হতে পারে, অথচ তার প্রতিধ্বনি সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয়।
ঘটনার পর আসমা কথা বলা বন্ধ করে দেয়। বইয়ের পাতায় চোখ রাখলেও অক্ষরগুলো ঝাপসা হয়ে যেত। তার মা প্রথমে বুঝতে পারেননি, পরে মেয়ের ভাঙা চুপচাপ মুখটাই সব বলে দেয়। একটি মা তখন আর শুধু মা থাকেন না, তিনি হয়ে ওঠেন ঢাল।
গ্রামে শুরু হয় ফিসফাস। কেউ প্রশ্ন তোলে, কেউ সন্দেহ করে, কেউ আবার নীরব থাকে। কিন্তু আসমার পরিবার নীরব থাকেনি। তারা জানত—চুপ থাকাই অন্যায়ের সবচেয়ে বড় শক্তি।
আইনের পথ সহজ ছিল না। ভয় ছিল, লজ্জা ছিল, সামাজিক চাপ ছিল। তবুও আসমা একদিন থানায় গিয়ে দাঁড়ায়। কাঁপা গলায় বলে,
“আমি দোষী নই।”
এই একটি বাক্যই বদলে দেয় গল্পের মোড়।
সময় লাগে, লড়াই লাগে। কিন্তু সত্য চাপা থাকে না। আসমা ধীরে ধীরে আবার পড়াশোনায় ফিরে আসে। ক্ষত পুরো সারে না, কিন্তু সে শিখে নেয় ক্ষত নিয়েই হাঁটতে।
আজ আসমা বড় হয়েছে। সে আর শুধু নিজের জন্য বাঁচে না। সে কথা বলে তাদের জন্য, যারা এখনো নীরবতার দেয়ালের ভেতরে বন্দি।
কারণ সে জানে—
নীরবতা ভাঙলেই শুরু হয় ন্যায়বিচারের পথ।
আপনি চাইলে গল্পটি আরও ছোট/বড় করা, সংবাদধর্মী বা সম্পূর্ণ সাহিত্যিক ভঙ্গিতে লেখা, কিংবা কোনো নির্দিষ্ট বার্তা (ন্যায়বিচার, সামাজিক সচেতনতা, নারী শক্তি) জোর দিয়ে তুলে ধরা যেতে পারে।
গাজীপুরে মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণ এইমাত্র পাওয়া।
byJamuna news
-
0
