w যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল একি কাণ্ড বর্ডারে

যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল একি কাণ্ড বর্ডারে

১৭ জানুয়ারি ২০২৬। শীতের কুয়াশায় ঢাকা ছিল উত্তর সীমান্ত। কাঁটাতারের ওপারে আর এপারে শুধু নিস্তব্ধতা—যেন প্রকৃতিও কিছু আসন্ন ঘটনার অপেক্ষায়। বাংলাদেশের বিজিবি ক্যাম্প “শান্তিপুর” সেই ভোরে অস্বাভাবিক নীরব ছিল। হঠাৎ করেই সীমান্তের একাংশে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ভারতের বিএসএফের একটি দল সীমান্তের খুব কাছাকাছি চলে আসে—উভয় পক্ষই দাবি করে, তারা নিজেদের ভূখণ্ডেই ছিল। কথা কাটাকাটি, তারপর গুলির শব্দ। কুয়াশার ভেতর কে আগে গুলি ছুঁড়েছিল, তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেনি। সংঘর্ষটি স্থায়ী হয় মাত্র কয়েক মিনিট, কিন্তু তার রেশ থেকে যায় অনেক দীর্ঘ। শেষ পর্যন্ত বিজিবি কৌশলগতভাবে এলাকা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। সীমান্তে আর কোনো অনুপ্রবেশ ঘটেনি—এই কারণে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ঘটনাটিকে “কৌশলগত সাফল্য” বলা হয়। কিন্তু বিজয়ের আনন্দের মাঝেই নেমে আসে ভারী নীরবতা। সংঘর্ষে ভারতের নয়জন বিএসএফ সদস্য নিহত হন—এই খবরে সীমান্তের দুই পাশেই শোকের ছায়া পড়ে। বিজিবির তরুণ সদস্য নায়েক রাশেদ সেই দিন রাতে ডিউটি শেষে চুপচাপ বসে ছিল। তার মনে কোনো উল্লাস ছিল না। সে শুধু ভাবছিল— “সীমান্ত রক্ষা করেছি ঠিকই, কিন্তু প্রাণ তো প্রাণই। ইউনিফর্ম বদলালেও মায়েরা তো একইভাবে কাঁদে।” পরদিন সকালে সীমান্তে পতাকা নামানো হয় অর্ধনমিত করে। কূটনৈতিক আলোচনার ঘোষণা আসে। দুই দেশই তদন্তের আশ্বাস দেয়। এই গল্পে কেউ পুরোপুরি জেতে না, কেউ পুরোপুরি হারে না। জয়-পরাজয়ের হিসাবের বাইরে থেকে যায় একটি সত্য— সীমান্ত জয় করা যায়, কিন্তু রক্তের দাগ মুছে ফেলা যায় না সহজে। আপনি চাইলে আমি এটিকে আরও সংবাদধর্মী, অথবা আরও মানবিক/আবেগঘন, কিংবা একজন সৈনিকের ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে নতুনভাবে লিখে দিতে পারি।

Post a Comment

Previous Post Next Post